বৈষ্ণব সাহিত্যে রস কত প্রকার ও কীকী? আলোচনা কর। ‘রস’ কথাটির সাধারণ অর্থ -‘স্বাদ’ অর্থাৎ যে স্বাদ আমরা আস্বাদন করি তাই রস। এক কথায় বলতে গেলে আস্বাদনই রস। সাহিত্যের রস আস্বাদন করতে হয় অন্তরের অনুভূতি দিয়ে। সাহিত্যের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আনন্দ দান, রস সৃষ্টি। রসের ব্যঞ্জনাই বাক্যকে কাব্যরূপ দান করে। রস সম্পর্কে নানা প-িত নানা…
Category: অনার্স ৩য় বর্ষ
রস ও কাব্যের জগৎ অলৌকিক মায়ার জগৎ’-আলোচনা কর।
রস ও কাব্যের জগৎ অলৌকিক মায়ার জগৎ’-আলোচনা কর। (ভাব ও রসের সম্পর্ক নির্ণয় কর) রস ও ভাব কাব্যসাহিত্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান। এই দুটি উপাদানের মধ্যে অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক রয়েছে। রস ও ভাব দুটি বিষয়ই অলৌকিক অর্থ্যাৎ এই দুটি বিষয় চোখে দেখা যায় না। কিন্তু অনুভব করা যায়। তাই কাব্যসাহিত্যে এই দুটি বিষয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।…
ধ্বনিই কাব্যের আত্মা-ধ্বনিবাদীদের এ অভিমত বিশ্লেষণ কর।
ধ্বনিই কাব্যের আত্মা-ধ্বনিবাদীদের এ অভিমত বিশ্লেষণ কর। অলংকারের দিক থেকে ‘ধ্বনি’ সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ধ্বনি ছাড়া কোন লেখা সাহিত্যের মূল্য পায় না। তার অর্থ হলো যে সাহিত্যে ধ্বনি নেই, সে সাহিত্য সাহিত্য নয়। পাঠকের নিকট ধ্বনিমাধুর্যের কারণে সাহিত্য দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে। তাহলে ‘ধ্বনি’ আসলে কী। এ বিষয়ে নানাজন নানা মত পোষণ করেন। ‘ধ্বনি’ নিয়ে অলংকার…
‘রসাত্মক বাক্যই কাব্য’-আলোচনা কর।
‘রসাত্মক বাক্যই কাব্য’-আলোচনা কর। সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হলো কাব্য। কিন্তু ‘কাব্য’ কী এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। রামায়ণের রচয়িতা আদি কবি বাল্মীকি থেকে শুরু করে আধুনিক কাল পর্যন্ত অনেক বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি এ বিষয়ে নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেছেন। তাদের মধ্যে ভরত, দ-ী, বামন, আনন্দবর্ধন, জগন্নাথ, অভিনব গুপ্ত, বিশ্বনাথ কবিরাজ অন্যতম। এ সব ব্যক্তি সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রে বিশেষ অভিজ্ঞতা…
অলংকার কাকে বলে? শব্দালংকার ও অর্থালংকারের পার্থক্য আলোচনা কর।
অলংকার কাকে বলে? শব্দালংকার ও অর্থালংকারের পার্থক্য আলোচনা কর। ‘অলংকার’ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো গহনা, ভূষণ, আভরণ ইত্যাদি। সাহিত্যে এ শব্দটির অর্থ ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্যবৃদ্ধিকারী গুণ। তাই সাহিত্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ভাষা প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতির নাম অলংকার। যেমন : অনুপ্রাস, রুপক, উপমা ইত্যাদি। এই অলংকার শাস্ত্রের উৎপত্তি হয়েছে প্রাচীনকালে গ্রিক ভাষার সাহিত্য থেকে।…
অলংকার কাকে বলে? বিভিন্ন প্রকার অর্থালংকারের পরিচয় দাও।
অলংকার কাকে বলে? বিভিন্ন প্রকার অর্থালংকারের পরিচয় দাও। (সাহিত্যে অলংকারের প্রয়োজনীয়তা) ‘অলংকার’ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো গহনা, ভূষণ, আভরণ ইত্যাদি। সাহিত্যে এ শব্দটির অর্থ ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্যবৃদ্ধিকারী গুণ। তাই সাহিত্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ভাষা প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতির নাম অলংকার। যেমন : অনুপ্রাস, রুপক, উপমা ইত্যাদি। এই অলংকার শাস্ত্রের উৎপত্তি হয়েছে প্রাচীনকালে গ্রিক ভাষার…
বিভিন্ন ধরনের শব্দালংকারের পরিচয় দাও।
বিভিন্ন ধরনের শব্দালংকারের পরিচয় দাও। শব্দের ধ্বনির সাহায্যে সৌন্দর্য সৃষ্টি করে যে অলংকার তাকে শব্দালঙ্কার বলে। জীবেন্দ্র সিংহ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শব্দের ধ্বনি রূপের আশ্রয়ে যে সমস্ত অলঙ্কার সৃষ্টি হয়, তাহাদের শব্দালঙ্কার বলে।’ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর ‘বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘যাহা দ্বারা শব্দের চমৎকারিত্ব বর্ধিত হয়, তাহাকে শব্দালঙ্কার বলে।’ উদাহরণ – ‘চুল তার কবেকার…
সংশপ্তক উপন্যাস অবলম্বনে সেকেন্দার মাস্টার চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। 231015
সংশপ্তক উপন্যাস অবলম্বনে সেকেন্দার মাস্টার চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। শহীদুল্লাহ কায়সার (১৯২৭-১৯৭১) সংশপ্তক (১৯৬৫) উপন্যাস রচনা করে বাংলা কথাসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। এটি একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। ঢাকা থেকে কোলকাতা পর্যন্ত, এবং বৃটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত এ উপন্যাসের কাহিনি বিস্তৃত। সংশপ্তক উপন্যাস যেমন অনেক ঘটনা সংযুক্ত তেমনই অনেক চরিত্রও আছে। যেমন ফেলু মিঞা, রমযান, লেকু,…
পথের পাঁচালী উপন্যাসে অঙ্কিত বাস্তবজীবন-চিত্রের মধ্যেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপুর রোমান্টিক জীবনচেতনার আশ্চর্য ব্যঞ্জনা ফুটিয়ে তুলেছেন- আলোচনা কর। 2021
পথের পাঁচালী উপন্যাসে অঙ্কিত বাস্তবজীবন-চিত্রের মধ্যেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপুর রোমান্টিক জীবনচেতনার আশ্চর্য ব্যঞ্জনা ফুটিয়ে তুলেছেন”- আলোচনা কর। (অপু চরিত্র) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪-১৯৫০) বাংলা কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ কথাশিল্পী । উপন্যাস রচনা করে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। তিনি জীবনপ্রেমিক মানুষ। মানুষের জীবনে প্রেম দু’ভাবে আসে। একটি মানবপ্রেম, অন্যটি প্রকৃতিপ্রেম। সামাজিক রীতি-নীতি দ্বারা মানবজীবনকে কিছুটা বাঁধা গেলেও…
পথের পাঁচালী উপন্যাস অবলম্বনে বিভূতিভূষণের প্রকৃতিপ্রেমের পরিচয় দাও। 231007
পথের পাঁচালী উপন্যাস অবলম্বনে বিভূতিভূষণের প্রকৃতিপ্রেমের পরিচয় দাও। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪-১৯৫০) বাংলা কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ কথাশিল্পী । উপন্যাস রচনা করে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। তিনি জীবনপ্রেমিক মানুষ। মানুষের জীবনে প্রেম দু’ভাবে আসে। একটি মানবপ্রেম, অন্যটি প্রকৃতিপ্রেম। সামাজিক রীতি-নীতি দ্বারা মানবজীবনকে কিছুটা বাঁধা গেলেও মানবমনকে তো আর বাঁধা যায় না। তাই মানবমন কখনো কখনো প্রকৃতির…




