চর্যাপদের রচনাকাল নির্ণয় কর। (কে কখন কোথায় আবিষ্কার করেন / গুরুত্ব/ তাৎপর্য) ‘চর্যাপদ’ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে এ পদ আবিষ্কার করেন। তারপর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। ‘চর্যাপদ’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এর রচনাকাল…
চর্যাপদ এর সমাজচিত্র আলোচনা কর। 231001
চর্যাপদ এর সমাজচিত্র আলোচনা কর। (বাঙালি সমাজ/জীবনধারা) চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে এ পদ আবিষ্কার করেন। তারপর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্যপরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের হাজার বছরের সম্পদ। ‘চর্যাপদ’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হবার পর…
বাংলা উপন্যাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর অবদান আলোচনা কর। 24
বাংলা উপন্যাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর অবদান আলোচনা কর। বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮) অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। যে কোন সময়ের বিবেচনায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তিনি ছোটগল্প ও উপন্যাস রচনায় যে দক্ষতা দেখিয়েছেন তা আর কোন ঔপন্যাসিক দেখাতে পারেন নি। তাঁর বেশিরভাগ গল্প ও উপন্যাস পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।…
বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে নজরুল ইসলামের অবদান আলোচনা কর। 231005
বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে নজরুল ইসলামের অবদান আলোচনা কর। কাজী নজরুল (১৮৯৮-১৯৭৬) ইসলামের প্রধান পরিচয় কবি। কবিতা রচনা করে তিনি তাড়াতাড়ি খ্যাতি লাভ করেন এবং বিদ্রোহী কবি বলে খ্যাতি লাভ করেন। তবে কবিতার ছাড়া প্রবন্ধ রচনায়ও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি মোট চারটি প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেছেন। এগুলো হলো ‘যুগ-বাণী’, ‘দুর্দিনের যাত্রী’, ‘রুদ্র-মঙ্গল’, ‘রাজবন্দির জবানবন্দি’, ধূমকেতু ইত্যাদি…
বাংলা মহাকাব্যের উদ্ভব ও বিকাশ ধারা বর্ণনা কর।
বাংলা মহাকাব্যের উদ্ভব ও বিকাশ ধারা বর্ণনা কর। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। তারপর আধুনিক যুগে পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের প্রচলন হয়। উনিশ শতকে বাঙালির জাতীয় জীবনে যে নব জাগরণের সৃষ্টি হয় তা মহাকাব্যের আঙ্গিক ও বিষয়ে দেখা যায়। স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ চেতনা মহাকাব্য রচনার পেছনে প্রবহমান ছিল। সাধারণত…
শরৎ সাহিত্যের জনপ্রিয়তার মৌল কারণগুলো শনাক্ত কর।
শরৎ সাহিত্যের জনপ্রিয়তার মৌল কারণগুলো শনাক্ত কর। বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮) অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। যে কোন সময়ের বিবেচনায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তিনি ছোটগল্প ও উপন্যাস রচনায় যে দক্ষতা দেখিয়েছেন তা আর কোন ঔপন্যাসিক দেখাতে পারেন নি। তাঁর বেশিরভাগ গল্প ও উপন্যাস পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।…
বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান মূল্যায়ন কর।
বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান মূল্যায়ন কর। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। বাংলা গদ্যসাহিত্য আধুনিক যুগের সৃষ্টি। ১৫৫৫ সালে কুচবিহারের রাজা আসামের রাজার নিকট একটি পত্র লেখেন। এটাই বাংলা ভাষার গদ্যের প্রথম নিদর্শন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ইংরেজদের প্রচেষ্টায় বাংলা গদ্য আস্তে আস্তে উন্নতি সাধন…
বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের ধারায় প্রমথ চৌধুরীর অবদান মূল্যায়ন কর।
বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের ধারায় প্রমথ চৌধুরীর অবদান মূল্যায়ন কর। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। বাংলা প্রবন্ধসাহিত্য আধুনিক যুগের সৃষ্টি। ১৫৫৫ সালে কুচবিহারের রাজা আসামের রাজার নিকট একটি পত্র লেখেন। এটাই বাংলা ভাষার গদ্যের প্রথম নিদর্শন। বাংলা সাহিত্যে গদ্য প্রচলনের সঙ্গে সঙ্গে প্রবন্ধ সাহিত্যের উদ্ভব ঘটে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর…
বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান মূল্যায়ন কর।
বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান মূল্যায়ন কর। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। বাংলা গদ্যসাহিত্য আধুনিক যুগের সৃষ্টি। ১৫৫৫ সালে কুচবিহারের রাজা আসামের রাজার নিকট একটি পত্র লেখেন। এটাই বাংলা ভাষার গদ্যের প্রথম নিদর্শন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ইংরেজদের প্রচেষ্টায় বাংলা গদ্য আস্তে আস্তে উন্নতি সাধন করে। বাংলা…
ভারতচন্দ্র নাগরিক কবি-আলোচনা কর। 221003
ভারতচন্দ্র নাগরিক কবি-আলোচনা কর। অথবা, (লৌকিক জীবনধারা/মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি/নাগরিক রস বিধৃত) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা যায়। প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। মধ্যযুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর (১৭১২-১৭৬০)। তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ বিখ্যাত কবি। ব্যক্তিগত জীবনেরও তিনি আধুনিক মনের মানুষ ছিলেন। সাহিত্যেও আধুনিকতার ছাপ পড়েছে। তিনি অন্নদা মঙ্গলকাব্য রচনা করেছেন…









