রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবে ‘কপালকুণ্ডলা’র সার্থকতা আলোচনা কর । সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কপালকুণ্ডলা উপন্যাস বাংলা কথা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। উপন্যাসের কাহিনি ও চরিত্রের মধ্য দিয়ে রোমান্টিকতার বৈশিষ্ট্য প্রথিত, পল−বিত করে বঙ্কিমচন্দ্র ‘কপালকুণ্ডলা’কে একটি সার্থক শিল্পপ্রতিমা হিসেবে গড়ে তুলেছেন। কাপালিক কতৃক পালিতা অরণ্যাচারী কপালকুণ্ডলার জীবনকে রোমান্সরসে সিক্ত করে উপস্থাপন করা হয়েছে এ উপন্যাসে।…
চোখের বালি উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা কর।
চোখের বালি উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা কর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) প্রধান পরিচয় কবি হলেও উপন্যাসের ক্ষেত্রেও তিনি একই ভাবে শিল্পী সত্ত্বার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর‘চোখের বালি’ (১৯০৩) উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের পালাবদলে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে। বিনোদিনী এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নায়িকা চরিত্র। এ চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে অন্যান্য চরিত্র ও উপন্যাসের মূলকাহিনী গড়ে ওঠেছে। বিনোদিনী আশালতাকে এ উপন্যাসে…
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস আর্ন্তজাতিক হয়েও স্বাদেশিক’-মন্তব্যটির তাৎপর্য বিচার কর। 241001
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস আর্ন্তজাতিক হয়েও স্বাদেশিক’-মন্তব্যটির তাৎপর্য বিচার করা হলো- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর (১৯২২-১৯৭১) বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উপন্যাসিকদের মধ্যে একজন প্রধান উপন্যাসিক। বাংলাদেশের উপন্যাসের কথা উঠলেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর এর নামটি সবার আগে উঠে আসে। রাজনীতি, সমাজ ভাবনা, স্বদেশ, প্রেম ও সময়চেতনা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার তাঁর উপন্যাস সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। সামাজিক দর্শন ও বাঙালি চেতনায় তাঁর উপন্যাস ভিন্ন…
বাকধ্বনি কী ? বাকধ্বনি উচ্চারণের সাহায্যকারী বাক-প্রত্যঙ্গগুলো সচিত্র বিবরণ দাও । 241007
বাকধ্বনি কী ? বাকধ্বনি উচ্চারণের সাহায্যকারী বাক-প্রত্যঙ্গগুলো সচিত্র বিবরণ দাও । আমরা জানি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তা করা এবং রক্তশোধন করা ফুসফুসের অন্যতম কাজ। তবু ফুসফুসই শেষ পর্যন্ত মানুষের বাগধ্বনি উৎপাদনের কেন্দ্র। প্রাণধারণের জন্য মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ করে এবং শ্বাস ত্যাগও করে। শ্বাসবায়ুর বহির্গমনকালে গলনালী ও মুখবিবরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সংঘর্ষের স্থান,…
মহাকাব্য কাকে বলে? বাংলা মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণিবিভাজন দেখাও।
মহাকাব্য কাকে বলে? মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণিবিভাজন দেখাও। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। তারপর আধুনিক যুগে পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের প্রচলন হয়। উনিশ শতকে বাঙালির জাতীয় জীবনে যে নব জাগরণের সৃষ্টি হয় তা মহাকাব্যের আঙ্গিক ও বিষয়ে দেখা যায়। স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ চেতনা মহাকাব্য রচনার পেছনে প্রবহমান ছিল।…




