গীতিকবিতার সংজ্ঞাসহ এর বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (গীতিকবিতার শ্রেণিবিভাগ) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যে সব সাহিত্য রচিত হয়েছে তন্মধ্যে গীতিকবিতা সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা। গীতিকবিতা কেবল বাংলা সাহিত্যে নয়, বিশ্বসাহিত্যের সম্পদ। মধ্যযুগ ছাড়া আধুনিক যুগেও অনেক গীতিকবিতা রচিত হয়েছে। মধ্যযুগের প্রধান প্রধান গীতিকবি হলো বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস জ্ঞান দাস ও গোবিন্দ দাস অন্যতম। সাধারণত রাধা ও কৃষ্ণের…
Category: অনার্স ২য় বর্ষ
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রাধা আর বৈষ্ণবপদাবলির রাধার তুলনামূলক আলোচনা কর। 221003
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রাধা আর বৈষ্ণবপদাবলির রাধার তুলনামূলক আলোচনা কর। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধা চরিত্র প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক আশ্চর্য ব্যতিক্রম। একটি পূর্ণাঙ্গ নারীচরিত্র অঙ্কন এবং তার প্রেমচেতনার প্রত্যেকটি স্তরে নিপুণ আলোকসম্পাতনে বড়ু চণ্ডীদাস যে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন তা বিস্ময়কর। আবার একই রাধাকে নিয়ে বৈষ্ণব কবিরাও নানা পদ রচনা করেছেন। এই দুই রাধা একই নারী হলেও…
চর্যাপদ এর সমাজচিত্র আলোচনা কর। 231001
চর্যাপদ এর সমাজচিত্র আলোচনা কর। (বাঙালি সমাজ/জীবনধারা) চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে এ পদ আবিষ্কার করেন। তারপর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্যপরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের হাজার বছরের সম্পদ। ‘চর্যাপদ’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হবার পর…
ভারতচন্দ্র নাগরিক কবি-আলোচনা কর। 221003
ভারতচন্দ্র নাগরিক কবি-আলোচনা কর। অথবা, (লৌকিক জীবনধারা/মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি/নাগরিক রস বিধৃত) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা যায়। প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। মধ্যযুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর (১৭১২-১৭৬০)। তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ বিখ্যাত কবি। ব্যক্তিগত জীবনেরও তিনি আধুনিক মনের মানুষ ছিলেন। সাহিত্যেও আধুনিকতার ছাপ পড়েছে। তিনি অন্নদা মঙ্গলকাব্য রচনা করেছেন…
আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য অবলম্বনে সিংহল দ্বীপের বর্ণনা দাও। 221003
আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য অবলম্বনে সিংহল দ্বীপের বর্ণনা দাও। উমধ্যযুগের রোমাান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের মধ্যে ‘পদ্মাবতী’ একটি অন্যতম কাব্যগ্রন্থ। এটি একটি সার্থক ও সফল রোমাান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। এ কাব্যের মূল রচয়িতা হিন্দি ভাষার কবি মাালিক মুহম্মদ জায়সী। পরবর্তীতে বাংলায় অনুবাদ করেছেন মহাকবি আলাওল। গ্রহণ, বর্জন আর সংযোজনের মধ্য দিয়ে তিনি ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটিকে নতুন রূপ দান করেছেন। এ কাব্যে সিংহল…
ভাড়ুদত্ত চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। 211003
ভাড়ুদত্ত চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। অথবা, (নায়ক চরিত্র অপেক্ষা খল চরিত্র শ্রেষ্ঠ / ভাড়–দত্ত খল হয়েও অসাধারণ / অপ্রধান চরিত্র / চরিত্র চিত্রণে কবির দক্ষতা) । মধ্যযুগের সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। বাংলা সাহিত্যে অনেক মঙ্গলকাব্য রয়েছে । তন্মধ্যে চণ্ডীমঙ্গল অন্যতম। এ মঙ্গলকাব্যের একটি বিশেষ অংশের নাম হলো কালকেতু উপাখ্যান। এ উপাখ্যানের কাহিনি সামান্য হলেও…
কালকেতু উপাখ্যান অবলম্বনে মুকুন্দ্ররাম চক্রবর্তীর সমাজ সচেতনার পরিচয় দাও।
কালকেতু উপাখ্যান অবলম্বনে মুকুন্দ্ররাম চক্রবর্তীর সমাজ সচেতনার পরিচয় দাও। মধ্যযুগের দেবদেবী নির্ভর বাংলা সাাহিত্য কবি কঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কালকেতু উপাখ্যান এক বাস্তবধর্মী ও জীবনবাদী কাব্য। গভীর জীবনবোধ, সূক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টি ও ব্যাপক অভিজ্ঞতার দ্বারা কবি এতে তৎকালীন সমাজ জীবনের বাস্তব ছবি অঙ্কন করেছেন। বস্তুত, কালকেতু উপাখ্যানে বাঙাালির গার্হস্থ্যজীবন তথা গ্রামীণ সমাজের বাস্তব রূপ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।…
মঙ্গলকাব্য কী? মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
মঙ্গলকাব্য কী? মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান ধারা। দেব দেবীর মাহাত্ম্যলীলা ও পুজা প্রচারের কাাহিনি এতে স্থান পেয়েছে। মঙ্গল শব্দটির সাথে শুভ ও কল্যাণের বিষয়টি জড়িত রয়েছে। বৈশিষ্ট্যের বিচারে মঙ্গল কাব্যগুলোকে পৌরাাণিক ও লৌকিক-এই দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। প্রশ্নানুসারে মঙ্গলকাব্য ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা…
দোভাষী পুঁথিসাহিত্য এর উদ্ভব ও বিকাশ । 221003
দোভাষী পুঁথিসাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশ। অথবা, (অষ্টাদশ শতাব্দীতে কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভবের কারণসমূহ নিরূপণ করে উভয় ধারার প্রধান প্রধান রচয়িতার পরিচয় দাও।) অষ্টাদশ শতাব্দীতে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অবক্ষয়ের পটভূমিতে কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ঘটে। ১৭০৭ সালে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর ভারতে মুঘলশক্তির পতন শুরু হয়। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজুদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের অবসান…
মর্সিয়া সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর।
মর্সিয়া সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর। অথবা, (প্রবন্ধ/সংক্ষিপ্ত পরিচয়/নাতিদীর্ঘ রচনা শোককাব্য) মর্সিয়া সাহিত্য মধ্যযুগের বাংলা কাব্যসাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। সুখ-দুঃখ নিয়েই মানব সংসার। সাহিত্য জীবনের দর্পণ। আর তাই মানবজীবনের সব কিছুই এতে প্রতিফলিত হয়। কোন বৃহৎ দুঃখময় ঘটনা নিয়ে সাধারণত মর্সিয়া সাহিত্য সৃষ্টি হয়। প্রশ্নানুসারে নিম্নে মর্সিয়া সাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা/ একটি নিবন্ধ রচনা করা…










