বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের ধারায় প্রমথ চৌধুরীর অবদান মূল্যায়ন কর। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। বাংলা প্রবন্ধসাহিত্য আধুনিক যুগের সৃষ্টি। ১৫৫৫ সালে কুচবিহারের রাজা আসামের রাজার নিকট একটি পত্র লেখেন। এটাই বাংলা ভাষার গদ্যের প্রথম নিদর্শন। বাংলা সাহিত্যে গদ্য প্রচলনের সঙ্গে সঙ্গে প্রবন্ধ সাহিত্যের উদ্ভব ঘটে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর…
বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান মূল্যায়ন কর।
বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান মূল্যায়ন কর। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ছিল কবিতা নির্ভর। বাংলা গদ্যসাহিত্য আধুনিক যুগের সৃষ্টি। ১৫৫৫ সালে কুচবিহারের রাজা আসামের রাজার নিকট একটি পত্র লেখেন। এটাই বাংলা ভাষার গদ্যের প্রথম নিদর্শন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ইংরেজদের প্রচেষ্টায় বাংলা গদ্য আস্তে আস্তে উন্নতি সাধন করে। বাংলা…
ভারতচন্দ্র নাগরিক কবি-আলোচনা কর। 221003
ভারতচন্দ্র নাগরিক কবি-আলোচনা কর। অথবা, (লৌকিক জীবনধারা/মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি/নাগরিক রস বিধৃত) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা যায়। প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। মধ্যযুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর (১৭১২-১৭৬০)। তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ বিখ্যাত কবি। ব্যক্তিগত জীবনেরও তিনি আধুনিক মনের মানুষ ছিলেন। সাহিত্যেও আধুনিকতার ছাপ পড়েছে। তিনি অন্নদা মঙ্গলকাব্য রচনা করেছেন…
আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য অবলম্বনে সিংহল দ্বীপের বর্ণনা দাও। 221003
আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য অবলম্বনে সিংহল দ্বীপের বর্ণনা দাও। উমধ্যযুগের রোমাান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের মধ্যে ‘পদ্মাবতী’ একটি অন্যতম কাব্যগ্রন্থ। এটি একটি সার্থক ও সফল রোমাান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। এ কাব্যের মূল রচয়িতা হিন্দি ভাষার কবি মাালিক মুহম্মদ জায়সী। পরবর্তীতে বাংলায় অনুবাদ করেছেন মহাকবি আলাওল। গ্রহণ, বর্জন আর সংযোজনের মধ্য দিয়ে তিনি ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটিকে নতুন রূপ দান করেছেন। এ কাব্যে সিংহল…
ভাড়ুদত্ত চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। 211003
ভাড়ুদত্ত চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। অথবা, (নায়ক চরিত্র অপেক্ষা খল চরিত্র শ্রেষ্ঠ / ভাড়–দত্ত খল হয়েও অসাধারণ / অপ্রধান চরিত্র / চরিত্র চিত্রণে কবির দক্ষতা) । মধ্যযুগের সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। বাংলা সাহিত্যে অনেক মঙ্গলকাব্য রয়েছে । তন্মধ্যে চণ্ডীমঙ্গল অন্যতম। এ মঙ্গলকাব্যের একটি বিশেষ অংশের নাম হলো কালকেতু উপাখ্যান। এ উপাখ্যানের কাহিনি সামান্য হলেও…
কালকেতু উপাখ্যান অবলম্বনে মুকুন্দ্ররাম চক্রবর্তীর সমাজ সচেতনার পরিচয় দাও।
কালকেতু উপাখ্যান অবলম্বনে মুকুন্দ্ররাম চক্রবর্তীর সমাজ সচেতনার পরিচয় দাও। মধ্যযুগের দেবদেবী নির্ভর বাংলা সাাহিত্য কবি কঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কালকেতু উপাখ্যান এক বাস্তবধর্মী ও জীবনবাদী কাব্য। গভীর জীবনবোধ, সূক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টি ও ব্যাপক অভিজ্ঞতার দ্বারা কবি এতে তৎকালীন সমাজ জীবনের বাস্তব ছবি অঙ্কন করেছেন। বস্তুত, কালকেতু উপাখ্যানে বাঙাালির গার্হস্থ্যজীবন তথা গ্রামীণ সমাজের বাস্তব রূপ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।…
মঙ্গলকাব্য কী? মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
মঙ্গলকাব্য কী? মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান ধারা। দেব দেবীর মাহাত্ম্যলীলা ও পুজা প্রচারের কাাহিনি এতে স্থান পেয়েছে। মঙ্গল শব্দটির সাথে শুভ ও কল্যাণের বিষয়টি জড়িত রয়েছে। বৈশিষ্ট্যের বিচারে মঙ্গল কাব্যগুলোকে পৌরাাণিক ও লৌকিক-এই দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। প্রশ্নানুসারে মঙ্গলকাব্য ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা…
দোভাষী পুঁথিসাহিত্য এর উদ্ভব ও বিকাশ । 221003
দোভাষী পুঁথিসাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশ। অথবা, (অষ্টাদশ শতাব্দীতে কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভবের কারণসমূহ নিরূপণ করে উভয় ধারার প্রধান প্রধান রচয়িতার পরিচয় দাও।) অষ্টাদশ শতাব্দীতে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অবক্ষয়ের পটভূমিতে কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ঘটে। ১৭০৭ সালে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর ভারতে মুঘলশক্তির পতন শুরু হয়। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজুদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের অবসান…
মর্সিয়া সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর।
মর্সিয়া সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর। অথবা, (প্রবন্ধ/সংক্ষিপ্ত পরিচয়/নাতিদীর্ঘ রচনা শোককাব্য) মর্সিয়া সাহিত্য মধ্যযুগের বাংলা কাব্যসাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। সুখ-দুঃখ নিয়েই মানব সংসার। সাহিত্য জীবনের দর্পণ। আর তাই মানবজীবনের সব কিছুই এতে প্রতিফলিত হয়। কোন বৃহৎ দুঃখময় ঘটনা নিয়ে সাধারণত মর্সিয়া সাহিত্য সৃষ্টি হয়। প্রশ্নানুসারে নিম্নে মর্সিয়া সাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা/ একটি নিবন্ধ রচনা করা…
মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির প্রধান কবিদের অবদান আলোচনা কর। 221003
মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির প্রধান কবিদের অবদান আলোচনা কর। অথবা, বৈষ্ণব পদাবলিরউদ্ভব/বিকাশ/সামাজিক-সাস্কৃতিক পটভূমি) বৈষ্ণবপদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। পদাবলি সাহিত্য চৈতন্য-প্রবর্তিত বৈষ্ণব মতকে অবলম্বন করে গড়ে উঠেছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এ পদ সাহিত্য চৈতন্যজন্মের পূর্বেই উদ্ভব হয়। রাধা এবং কৃষ্ণকে অবলম্বন করে এ পদসাহিত্য রচিত হয়েছে। নি¤েœ বৈষ্ণব পদাবলির উদ্ভব, বিকাশ ও…










