এমফিল/পিএইচডিপাশ্চাত্য সাহিত্যতত্ত্ব ও সাহিত্যের সমালোচনা পদ্ধতিপিএইডি

গবেষণা পরিচিতি- 01

গবেষণা পরিচিতি

গবেষণার সাধারণ পরিচিতি সুশৃঙ্খল পদ্ধতি অনুসরণ করে সত্যকে অনুসন্ধান করাকেই গবেষণা বলা যেতে পারে। জানা উপাত্তকে ব্যবহার এবং জ্ঞাত জ্ঞানকে প্রয়োগ করে অজানা তথ্য, সত্য বা বিষয় আবিষ্কার করাই গবেষণার প্রকৃত লক্ষ্য। আসলে, গবেষণা প্রাসঙ্গিক তথ্য, উপাত্ত, সাক্ষ্য, প্রমাণ প্রভৃতির নিয়মতান্ত্রিক বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো সুনির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান হতে পারে, পাওয়া যেতে পারে নবতর ফলাফল। বস্তুত, গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞানের শূন্যতা পূরণ করে।

নির্ভুল তথ্যের সমাহার, বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞানের সম্মিলন এবং নিরপেক্ষ ও সূক্ষ্মতর বিশ্লেষণ গবেষণাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলে। পক্ষান্তরে, তথ্য নির্বাচনের ত্রুটি, বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞানের অভাব এবং পক্ষপাতিত্বমূলক ও স্থূল বিশ্লেষণের কারণে গবেষণা তার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। বিভিন্ন গবেষণার পদ্ধতিগত মিল থাকলেও গবেষণার বিষয়কে সব সময়ই নতুন হতে হয়। কারণ, শুধু নবতর বিষয়ই জ্ঞানের শূন্যতা পূরণ করতে পারে। এক্ষেত্রে গবেষণার বিষয় বা ক্ষেত্র নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হয়।

আদর্শ গবেষণা সম্পন্ন করার জন্য গবেষণা সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ধারণা নিয়ে গবেষককে অগ্রসর হতে হয়। কোনোরূপ অস্পষ্ট ধারণা কিংবা বিভ্রান্তি গবেষণার পথকে প্রতিবন্ধকতাযুক্ত করার মাধ্যমে গবেষকের সফলতাকে অনিশ্চিত করতে পারে। প্রচুর অধ্যয়ন, সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং জানার প্রবল আগ্রহ গবেষকের সফল গবেষণার পথকে প্রশস্ত করে। স্বভাবতই গবেষণাকর্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট বিষয়ের পরিচ্ছন্ন ধারণা লাভের শ্রেয়তর কোনো বিকল্প নেই। গবেষণা সম্পর্কে গবেষকের পরিপূর্ণ ধারণা লাভের সহায়ক বিষয়সমূহের উপর আলোকপাত করা যেতে পারে।

সালেক শিবলু, এমফিল গবেষক, বাংলা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button