চৈতন্যজীবনী সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর। চৈতন্যজীবনী সাহিত্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। এটি একটি মৌলিক সাহিত্যধারা। কোন মহান পুরুষের জীবনকে অবলম্বন করে যে সাহিত্যগড়ে উঠে, তাকে জীবনী সাহিত্য বলে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এ রকম অনেক ব্যক্তির জীবনকে নিয়ে সাহিত্য রচিত হয়েছে। তবে সাহিত্যে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনকে নিয়ে এই ধারার প্রথম রচিত হয়।…
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 221103
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা হলো রোমান্টিক প্রণয় উপাখ্যান। মানবীয় কল্পনাকে আশ্রয় করে এই জাতীয় কাব্য গড়ে উঠেছে। মুসলিম কবিরা এ কাব্যধারায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। তারা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনার মাধ্যমে মধ্যযুগের কাব্যধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন। কোন কোন কবি আরবি-ফারসিসহ বিভিন্ন কাব্যধারা থেকে বাংলা অনুবাদ করেছেন। এর মাধ্যমে অনান্য ভাষার…
সুলতানি আমল এর সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
সুলতানি আমল এর বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। অথবা, সুলতানি আমল বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগ/ মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের শ্রী বৃদ্ধি হয়েছিল) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনটি যুগ রয়েছে। এর মধ্যে মধ্যযুগ অন্যতম। সুলতানী আমলের সাহিত্য মধ্যযুগের সাহিত্য। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বঙ্গদেশ জয় করেন। এর পরেই এ দেশে মুসলিম শাসনের সূচনা…
মনসামঙ্গল কাব্যধারার কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 221003
মনসামঙ্গল কাব্যধারার কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মধ্যযুগে মঙ্গলকাব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্যধারা। দেব-দেবীদের প্রাধান্য এ সব কাব্যে লক্ষ্য করা যায়। মানুষ অসহায়, বিপদে দেবতা এসে মানুষকে উদ্ধার করে। এ সব কাব্যের সঙ্গে ধর্মের একটি সম্পর্ক বিদ্যমান আছে। দীর্ঘদিন ধরে কবিরা এ সব কাব্য রচনা করেছেন। মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের সাহিত্যধারা সমৃদ্ধ করেছে। তন্মধ্যে প্রধান প্রধান মঙ্গলকাব্য মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল….
নীল দর্পণ নাটকের নামকরণের সার্থকতা বিচার কর। 2221005
নীল দর্পণ নাটকের নামকরণের সার্থকতা বিচার কর। বাংলা সাহিত্যে নাটক একটি বিশেষ প্রকরণ। দীনবন্ধু মিত্র (১৮৩০-১৮৭৩) রচিত নীল দর্পণ (১৮৬০) বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নাটকের কাহিনি, ঘটনা, আঙ্গিক পরিকল্পনা, গঠনবিন্যাস-এসব বিচারে ‘নীল দর্পণ’ একটি সফল নাটক। ‘নীল দর্পণ’ নাটকটির নামকরণের বেশ রয়েছে। ঘটনা নয়, চরিত্র নয়, নাট্যকারের বিশিষ্ট চিন্তার প্রকাশ ‘নীল দর্পণ’ নাটকের নামকরণের মধ্যে…
ট্যাজেডি হিসেবে নীল দর্পণ নাটকের সার্থকতা বিচার কর। 221003
ট্যাজেডি হিসেবে নীল দর্পণ নাটকের সার্থকতা বিচার কর। বাংলা সাহিত্যে নাটক একটি বিশেষ প্রকরণ। দীনবন্ধু মিত্র রচিত ‘নীল দর্পণ’(১৮৬০) বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নাটকের কাহিনি, ঘটনা, আঙ্গিক পরিকল্পনা, গঠনবিন্যাস-এসব বিচারে ‘নীল দর্পণ’ একটি সফল নাটক। ট্যাজেডি নাটক হিসেবে ‘নীল দর্পণ’ নাটকটি বেশ সফলতা লাভ করেছে। ঘটনা নয়, চরিত্র নয়, নাট্যকারের বিশিষ্ট চিন্তার প্রকাশই ‘নীল দর্পণ’…
বিসর্জন নাটকের জয়সিংহ চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। 22100
বিসর্জন নাটকের জয়সিংহ চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর। বিসর্জন (১৮৯০) নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) বহুমুখী প্রতিভার অনন্য সাক্ষর। আচারসর্বস্ব ধর্মের সঙ্গে মানব ধর্মের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি এবং শেষ পর্যন্ত মানব ধর্মের জয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন এ নাটকে। এ নাট্যসাহিত্যে বেশকিছু চরিত্র রয়েছে। তন্মধ্যে জয়সিংহ অন্যতম চরিত্র। এ চরিত্রের মধ্যে নায়কের সব গুণ রয়েছে। তাই…
বিসর্জন নাটকের নায়ক কে, রঘুপতি না জয়সিংহ? আলোচনা কর।
বিসর্জন নাটকের নায়ক কে, রঘুপতি না জয়সিংহ ? আলোচনা কর। বিসর্জন নাটকের নায়ক বিসর্জন (১৮৯০) নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) বহুমুখী প্রতিভার অনন্য সাক্ষর। আচারসর্বস্ব ধর্মের সঙ্গে মানব ধর্মের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি এবং শেষ পর্যন্ত মানব ধর্মের জয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন এ নাটকে। এ নাট্যসাহিত্যে বেশকিছু চরিত্র রয়েছে। তন্মধ্যে রঘুপতি ও জয়সিংহ অন্যতম।…
কৃষ্ণকুমারী নাটক অবলম্বনে অতি প্রাকৃতের ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা কর। 221003
কৃষ্ণকুমারী নাটক অবলম্বনে অতি প্রাকৃতের ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা কর। মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার। নাটক রচনায় তিনি বেশ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। পাশ্চাত্য ও ভারতীয় উপাদানের সমন্বয়ে তিনি কিছু অসাধারণ নাটক রচনা করেছেন। এ সব নাটকের মধ্যে কৃষ্ণকুমারী একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এই নাটকে অতি প্রাকৃতের ব্যবহার রয়েছে যা নাটকের কাহিনিতে গতি সৃষ্টি…
বাংলা ভাষায় বৈদেশিক প্রভাব এর স্বরূপ বিচার কর। 211003
বাংলা ভাষায় বৈদেশিক প্রভাব এর স্বরূপ বিচার কর। ভাষায় বৈদেশিক প্রভাবের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত প্রভাব অপেক্ষা শব্দ ঋণ ও আত্তীকরণের প্রবণতাই বেশি। বহু বিদেশি শব্দ বাংলা ভাষায় এমনভাবে মিশে গেছে যাদের আর বিদেশি বলা চলে না। চেয়ার, টেবিল, উকিল দরবেশ, চশমা, গজল ইত্যাদি। মোটামুটি যেসব বৈদেশিক ভাষার প্রভাবে বাংলা ভাষার শব্দও কখনো কখনো ব্যাকরণ প্রভাবিত হয়েছে…










