গীতিকবিতার সংজ্ঞাসহ এর বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (গীতিকবিতার শ্রেণিবিভাগ) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যে সব সাহিত্য রচিত হয়েছে তন্মধ্যে গীতিকবিতা সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা। গীতিকবিতা কেবল বাংলা সাহিত্যে নয়, বিশ্বসাহিত্যের সম্পদ। মধ্যযুগ ছাড়া আধুনিক যুগেও অনেক গীতিকবিতা রচিত হয়েছে। মধ্যযুগের প্রধান প্রধান গীতিকবি হলো বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস জ্ঞান দাস ও গোবিন্দ দাস অন্যতম। সাধারণত রাধা ও কৃষ্ণের…
Category: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস-১
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিড়াল প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য আলোচনা কর। NU BANGLA
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিড়াল প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য আলোচনা কর। সাহিত্য সম্রাট উপাধিতে ভূষিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। প্রথম সার্থক উপন্যাসের স্রষ্টা হিসেবে তিনি সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। উপন্যাসের মতো তিনি প্রবন্ধ সাহিত্যেও সসফলতার পরিচয় রেখেছেন। তাঁর রচিত হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গধর্মী রচনাগুলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন। তিনি ধর্ম, দর্শন, সাহিত্য, ভাষা ও সমাজ বিষয়ক বহু প্রবন্ধ…
চর্যাপদের রাজনৈতিক, সামাাজিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি আলোচনা কর।
চর্যাপদের রাজনৈতিক, সামাাজিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি আলোচনা কর। চর্যাপদ বাংলা সাাহিত্যের প্রথম সাাহিত্যিক নিদর্শন। গুপ্তসাম্রাজ্যের শাসন পদ্ধতি থেকে পাল-সেন বর্মন রাজাদের রাজত্বকাল পার হয়ে তুর্ক আমলের অধ্যায়ে উত্তরণের সময়ের মধ্যবর্তী রাজনৈতিক, সামাাজিক এবং সাংস্কৃতিক পটভূমিতে প্রাচীন যুগের বাংলা সাাহিত্যের ঐতিহাাসিক নিদর্শন চর্যাপদ রচিত হয়েছে। নিম্নে এ প্রসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হল – চর্যাপদের রাজনৈতিক পেক্ষাপট আলোচনা…
চর্যাপদের রচনাকাল নির্ণয় কর।
চর্যাপদের রচনাকাল নির্ণয় কর। (কে কখন কোথায় আবিষ্কার করেন / গুরুত্ব/ তাৎপর্য) ‘চর্যাপদ’ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে এ পদ আবিষ্কার করেন। তারপর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। ‘চর্যাপদ’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এর রচনাকাল…
চর্যাপদ এর সমাজচিত্র আলোচনা কর। 231001
চর্যাপদ এর সমাজচিত্র আলোচনা কর। (বাঙালি সমাজ/জীবনধারা) চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে এ পদ আবিষ্কার করেন। তারপর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্যপরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের হাজার বছরের সম্পদ। ‘চর্যাপদ’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হবার পর…
মঙ্গলকাব্য কী? মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
মঙ্গলকাব্য কী? মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান ধারা। দেব দেবীর মাহাত্ম্যলীলা ও পুজা প্রচারের কাাহিনি এতে স্থান পেয়েছে। মঙ্গল শব্দটির সাথে শুভ ও কল্যাণের বিষয়টি জড়িত রয়েছে। বৈশিষ্ট্যের বিচারে মঙ্গল কাব্যগুলোকে পৌরাাণিক ও লৌকিক-এই দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। প্রশ্নানুসারে মঙ্গলকাব্য ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা…
চৈতন্যজীবনী সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর।
চৈতন্যজীবনী সাহিত্য সম্পর্কে একটি নিবন্ধ রচনা কর। চৈতন্যজীবনী সাহিত্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। এটি একটি মৌলিক সাহিত্যধারা। কোন মহান পুরুষের জীবনকে অবলম্বন করে যে সাহিত্যগড়ে উঠে, তাকে জীবনী সাহিত্য বলে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এ রকম অনেক ব্যক্তির জীবনকে নিয়ে সাহিত্য রচিত হয়েছে। তবে সাহিত্যে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনকে নিয়ে এই ধারার প্রথম রচিত হয়।…
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 221103
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা হলো রোমান্টিক প্রণয় উপাখ্যান। মানবীয় কল্পনাকে আশ্রয় করে এই জাতীয় কাব্য গড়ে উঠেছে। মুসলিম কবিরা এ কাব্যধারায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। তারা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনার মাধ্যমে মধ্যযুগের কাব্যধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন। কোন কোন কবি আরবি-ফারসিসহ বিভিন্ন কাব্যধারা থেকে বাংলা অনুবাদ করেছেন। এর মাধ্যমে অনান্য ভাষার…
সুলতানি আমল এর সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
সুলতানি আমল এর বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। অথবা, সুলতানি আমল বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগ/ মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের শ্রী বৃদ্ধি হয়েছিল) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনটি যুগ রয়েছে। এর মধ্যে মধ্যযুগ অন্যতম। সুলতানী আমলের সাহিত্য মধ্যযুগের সাহিত্য। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বঙ্গদেশ জয় করেন। এর পরেই এ দেশে মুসলিম শাসনের সূচনা…
মনসামঙ্গল কাব্যধারার কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 221003
মনসামঙ্গল কাব্যধারার কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। মধ্যযুগে মঙ্গলকাব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্যধারা। দেব-দেবীদের প্রাধান্য এ সব কাব্যে লক্ষ্য করা যায়। মানুষ অসহায়, বিপদে দেবতা এসে মানুষকে উদ্ধার করে। এ সব কাব্যের সঙ্গে ধর্মের একটি সম্পর্ক বিদ্যমান আছে। দীর্ঘদিন ধরে কবিরা এ সব কাব্য রচনা করেছেন। মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের সাহিত্যধারা সমৃদ্ধ করেছে। তন্মধ্যে প্রধান প্রধান মঙ্গলকাব্য মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল….








